বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ ০৯:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মাহাথিরবজ্রপাতে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেতে হলে করনীয় কি ?পটুয়াখালীর তরুণের চালকবিহীন গাড়ি আবিষ্কার স্পেনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনাতাবলিগ জামাতের সাদ পন্থী ও তার বিরোধী গ্রুপের সংঘর্ষডিইউজে নির্বাচনে গনি - শহিদ পরিষদের অবিস্মরনীয় জয়কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না: ডাকসুর সাবেক চারভিপি।সন্তান পেটে রেখেই সেলাই, দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিসকল সরকারি চাকরি থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের বরখাস্তের দাবিদি স্টুডেন্ড’স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ঢাকা মহানগরী উত্তরের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন।
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫, ০৫:৪০:৩১
Zoom In Zoom Out No icon

আসছে ধানের নতুন পাঁচটি জাত

আসছে ধানের নতুন পাঁচটি জাত

ঢাকা: দেশে উদ্ভাবিত নতুন আরো পাঁচ জাতের ধান অবমুক্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে জাতীয় কারিগরি কমিটির সভায় অনুমোদন মিলেছে।

 

রবিবার (১২ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় নতুন জাতের ধানগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

নতুন এ পাঁচ জাতের ধানের মধ্যে ব্রি ধান ৭০, ব্রি ধান ৭১, ব্রি ধান ৭২ ও ব্রি ধান ৭৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বিনা ধান ১৭ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)।

 

 

শনিবার ব্রি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তমাল লতা আদিত্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

ব্রি’র চার জাতের ধানের মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা এ বিজ্ঞানী জানান, গত ২২ জুন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত সভায় এই পাঁচ জাতের ধানের অবমুক্তির জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। সভায় অবমুক্তির অনুমোদনও মিলে।

 

রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভায় প্রস্তাবনা করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে মিলবে চূড়ান্ত অনুমোদন। ব্রি’র চারটি জাতই আমন মৌসুমে চাষের উপযুক্ত।

 

ব্রি সূত্র জানায়, সুগন্ধী, লবণ সহনশীল, জিংকযুক্ত এবং খরাসহিষ্ণু গুণসম্পন্ন ব্রি’র জাতগুলো ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করা হয়েছে। সব স্থানেই প্রত্যাশিত ফলন পাওয়ায়, আশা করা হচ্ছে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় এসব জাত অনুমোদন পাবে।

 

ব্রি ধান ৭০: নতুন উদ্ভাবিত ও প্রস্তাবিত ব্রি ৭০ ধানের চাল লম্বা, চিকন ও সুগন্ধী। অনেকটা দেখতে বাসমতি চালের মতো। বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। চাষিরাও ভালো বাজারমূল্য পাবেন। ধানটি চাষে সেচের পানিও খরচ করতে হবে কম।

 

এ ধানের জীবনকাল ১৩০ থেকে ১৩২ দিন। ফলন হেক্টর প্রতি সর্বোচ্চ ৫ টন।

 

ব্রি ধান ৭১: খরা সহনশীল এ জাতের ধানে ব্রি ৫৬ জাতের চেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। জীবনকাল ১১৪ দিন হওয়ায় কৃষকরা অল্প সময়েই এ ধান ঘরে তুলতে পারবেন। ফলে রবি মৌসুমে অন্য ফসলও চাষাবাদ করা যাবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য খুবই চাষ উপযোগী এ জাতের ধান।

 

প্রচণ্ড খরা হলে যেখানে কিছুই পাওয়া যায় না সেখানে হেক্টর প্রতি তিন থেকে সাড়ে তিন টন ধান পাওয়া যাবে। আর খরার পরিমাণ কম হলে সাড়ে চার থেকে পাঁচ টন ধান ঘরে তুলতে পারবেন কৃষক। রোগ-বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রচলিত অন্যান্য জাতের চেয়ে বেশ কম।

 

ব্রি ধান ৭২: প্রস্তাবিত ব্রি ধান ৭২’র প্রধান বৈশিষ্ট্য জিংক সমৃদ্ধ। প্রতিকেজি ধানে ২২.৮ মিলিগ্রাম জিংক পাওয়া যাবে। যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের ৪০ ভাগ জিংকের চাহিদা পূরণ করবে।

 

উচ্চফলনশীল এ জাতের হেক্টরপ্রতি ফলন হবে সাড়ে ৫ টন থেকে ৬ টন। বি আর ১১ জাতের ধানের মতো অনেকটা দেখতে এ জাতের ধান। জীবনকাল ১২৫ থেকে ১৩০ দিন।

 

ব্রি ধান ৭৩: ব্রি ধান ৭৩ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— লবণাক্ততা আক্রান্ত অঞ্চলে এটি চাষ করা যাবে। চারা অবস্থায় (তিন সপ্তাহ) ১২ থেকে ১৪ ডিএস/মি এবং সমস্ত সময় ৮ ডিএস/মি লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। দক্ষিণ অঞ্চল বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল এ ধান চাষাবাদের খুবই উপযোগী।

 

জীবনকাল ১২০ থেকে ১২৫ দিন। চালের আকৃতি চিকন, সাদা এবং ভাত ঝরঝরে। হেক্টর প্রতি ফলন সাড়ে ৪ টন।

 

বিনা ধান ১৭: নতুন উদ্ভাবিত প্রস্তাবিত বিনা ধান ১৭ জিএসআর এর জীবনকাল ১১২ থেকে ১২৮ দিন।

 

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) সহযোগিতায় উদ্ভাবিত এ জাত উচ্চ ফলনশীল। হেক্টর প্রতি এর ফলন প্রায় ৬ থেকে ৭ টন।

 

সার্বিক বিষয়ে ড. তমাল লতা আদিত্য বলেন, ১০ থেকে ১২ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এসব ধান অবমুক্তির জন্য প্রস্তাবনা করা হয়েছে। নতুন এ জাতগুলো চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হবেন। এছাড়া ব্রি ৭২ শিশুদের জন্য খুবই উপকারী আর খরা সহিষ্ণু ব্রি ৭১ চাষ করার পর কৃষকরা আরেকটি ফসল চাষাবাদ করতে পারবেন। ব্রি ৭৩ জাতের ধান লবনাক্ত অঞ্চলসহ চিংড়ী ঘেরের আশপাশেও চাষ করা যাবে।

 

তিনি জানান, আগে ব্রি’র উদ্ভাবিত ধানের সংখ্যা ছিল ৭২টি। এছাড়া চারটি হাইব্রিড রয়েছে। নতুন এই জাতগুলো চূড়ান্ত অবমুক্ত হলে সংখ্যা দাঁড়াবে ৮০’র অধিক।

 

দেশে উদ্ভাবিত নতুন আরো পাঁচ জাতের ধান অবমুক্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে জাতীয় কারিগরি কমিটির সভায় অনুমোদন মিলেছে।

 

রবিবার (১২ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় নতুন জাতের ধানগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

নতুন এ পাঁচ জাতের ধানের মধ্যে ব্রি ধান ৭০, ব্রি ধান ৭১, ব্রি ধান ৭২ ও ব্রি ধান ৭৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বিনা ধান ১৭ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)।

 

 

শনিবার ব্রি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তমাল লতা আদিত্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

ব্রি’র চার জাতের ধানের মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা এ বিজ্ঞানী জানান, গত ২২ জুন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত সভায় এই পাঁচ জাতের ধানের অবমুক্তির জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। সভায় অবমুক্তির অনুমোদনও মিলে।

 

রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভায় প্রস্তাবনা করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে মিলবে চূড়ান্ত অনুমোদন। ব্রি’র চারটি জাতই আমন মৌসুমে চাষের উপযুক্ত।

 

ব্রি সূত্র জানায়, সুগন্ধী, লবণ সহনশীল, জিংকযুক্ত এবং খরাসহিষ্ণু গুণসম্পন্ন ব্রি’র জাতগুলো ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করা হয়েছে। সব স্থানেই প্রত্যাশিত ফলন পাওয়ায়, আশা করা হচ্ছে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় এসব জাত অনুমোদন পাবে।

 

ব্রি ধান ৭০: নতুন উদ্ভাবিত ও প্রস্তাবিত ব্রি ৭০ ধানের চাল লম্বা, চিকন ও সুগন্ধী। অনেকটা দেখতে বাসমতি চালের মতো। বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। চাষিরাও ভালো বাজারমূল্য পাবেন। ধানটি চাষে সেচের পানিও খরচ করতে হবে কম।

 

এ ধানের জীবনকাল ১৩০ থেকে ১৩২ দিন। ফলন হেক্টর প্রতি সর্বোচ্চ ৫ টন।

 

ব্রি ধান ৭১: খরা সহনশীল এ জাতের ধানে ব্রি ৫৬ জাতের চেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। জীবনকাল ১১৪ দিন হওয়ায় কৃষকরা অল্প সময়েই এ ধান ঘরে তুলতে পারবেন। ফলে রবি মৌসুমে অন্য ফসলও চাষাবাদ করা যাবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য খুবই চাষ উপযোগী এ জাতের ধান।

 

প্রচণ্ড খরা হলে যেখানে কিছুই পাওয়া যায় না সেখানে হেক্টর প্রতি তিন থেকে সাড়ে তিন টন ধান পাওয়া যাবে। আর খরার পরিমাণ কম হলে সাড়ে চার থেকে পাঁচ টন ধান ঘরে তুলতে পারবেন কৃষক। রোগ-বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রচলিত অন্যান্য জাতের চেয়ে বেশ কম।

 

ব্রি ধান ৭২: প্রস্তাবিত ব্রি ধান ৭২’র প্রধান বৈশিষ্ট্য জিংক সমৃদ্ধ। প্রতিকেজি ধানে ২২.৮ মিলিগ্রাম জিংক পাওয়া যাবে। যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের ৪০ ভাগ জিংকের চাহিদা পূরণ করবে।

 

উচ্চফলনশীল এ জাতের হেক্টরপ্রতি ফলন হবে সাড়ে ৫ টন থেকে ৬ টন। বি আর ১১ জাতের ধানের মতো অনেকটা দেখতে এ জাতের ধান। জীবনকাল ১২৫ থেকে ১৩০ দিন।

 

ব্রি ধান ৭৩: ব্রি ধান ৭৩ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— লবণাক্ততা আক্রান্ত অঞ্চলে এটি চাষ করা যাবে। চারা অবস্থায় (তিন সপ্তাহ) ১২ থেকে ১৪ ডিএস/মি এবং সমস্ত সময় ৮ ডিএস/মি লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। দক্ষিণ অঞ্চল বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল এ ধান চাষাবাদের খুবই উপযোগী।

 

জীবনকাল ১২০ থেকে ১২৫ দিন। চালের আকৃতি চিকন, সাদা এবং ভাত ঝরঝরে। হেক্টর প্রতি ফলন সাড়ে ৪ টন।

 

বিনা ধান ১৭: নতুন উদ্ভাবিত প্রস্তাবিত বিনা ধান ১৭ জিএসআর এর জীবনকাল ১১২ থেকে ১২৮ দিন।

 

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) সহযোগিতায় উদ্ভাবিত এ জাত উচ্চ ফলনশীল। হেক্টর প্রতি এর ফলন প্রায় ৬ থেকে ৭ টন।

 

সার্বিক বিষয়ে ড. তমাল লতা আদিত্য বলেন, ১০ থেকে ১২ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এসব ধান অবমুক্তির জন্য প্রস্তাবনা করা হয়েছে। নতুন এ জাতগুলো চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হবেন। এছাড়া ব্রি ৭২ শিশুদের জন্য খুবই উপকারী আর খরা সহিষ্ণু ব্রি ৭১ চাষ করার পর কৃষকরা আরেকটি ফসল চাষাবাদ করতে পারবেন। ব্রি ৭৩ জাতের ধান লবনাক্ত অঞ্চলসহ চিংড়ী ঘেরের আশপাশেও চাষ করা যাবে।

 

তিনি জানান, আগে ব্রি’র উদ্ভাবিত ধানের সংখ্যা ছিল ৭২টি। এছাড়া চারটি হাইব্রিড রয়েছে। নতুন এই জাতগুলো চূড়ান্ত অবমুক্ত হলে সংখ্যা দাঁড়াবে ৮০’র অধিক।

নেশন নিউজ/এম/এফ
এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top