সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ ১১:১৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মাহাথিরবজ্রপাতে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেতে হলে করনীয় কি ?পটুয়াখালীর তরুণের চালকবিহীন গাড়ি আবিষ্কার স্পেনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনাতাবলিগ জামাতের সাদ পন্থী ও তার বিরোধী গ্রুপের সংঘর্ষডিইউজে নির্বাচনে গনি - শহিদ পরিষদের অবিস্মরনীয় জয়কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না: ডাকসুর সাবেক চারভিপি।সন্তান পেটে রেখেই সেলাই, দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিসকল সরকারি চাকরি থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের বরখাস্তের দাবিদি স্টুডেন্ড’স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ঢাকা মহানগরী উত্তরের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন।
মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:২৫:২৯
Zoom In Zoom Out No icon

‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব: সুভাষ চন্দ্র বসু

‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব: সুভাষ চন্দ্র বসু

সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্ম ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি, বর্তমান উড়িষ্যা রাজ্যের কটক শহরে। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে তিনি প্রায় নিয়োগপত্র পেয়ে যান। কিন্তু বিপ্লব-সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সেই নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, কোনো সরকারের সমাপ্তি ঘোষণা করার সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হল তা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া। 

অমৃতসর হত্যাকাণ্ড ও ১৯১৯ সালের দমনমূলক রাওলাট আইন ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল। তাঁর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। ১৯২৪ সালে দেশবন্ধু যখন কলকাতা পৌর সংস্থার মেয়র নির্বাচিত হন, তখন সুভাষ চন্দ্র তাঁর অধীনে কর্মরত ছিলেন। প্রায় ২০ বছরের মধ্যে সুভাষ চন্দ্র মোট ১১ বার গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁকে ভারত ও রেঙ্গুনের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছিল। ১৯৩০ সালে তাঁকে ইউরোপে নির্বাসিত করা হয়। সুভাষ চন্দ্র বসুর বিখ্যাত উক্তি হল-‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।’ এক শোভাযাত্রায় তিনি এই উক্তি করেন। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হল-ভারতের জয় (‘জয় হিন্দ’), যা পরবর্তী সময়ে ভারত সরকার গ্রহণ করে নেয়। 

একটি মতে, নেতাজি সোভিয়েত রাশিয়ার কাছে বন্দি অবস্থায় সাইবেরিয়াতে মারা যান। আরেকটি মতে, বর্তমানে রেনকোজি মন্দিরে রাখা নেতাজির চিতাভস্ম পরীক্ষা করে জানা গেছে, ওই চিতাভস্ম নেতাজির নয়। আসলে ভারতবর্ষে নেতাজির তুমুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একদল উঁচুতলার ভারতীয় নেতা এবং ইংরেজ সরকার মিলিতভাবে ষড়যন্ত্র করে নেতাজিকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুভাষ চন্দ্রকে ‘দেশনায়ক’ আখ্যা দিয়ে ‘তাসের দেশ’ নৃত্যনাট্যটি তাঁকে উত্সর্গ করেন। 
উত্সর্গপত্রে লেখেন : ‘‘স্বদেশের চিত্তে নূতন প্রাণ সঞ্চার করবার পুণ্যব্রত তুমি গ্রহণ করেছ, সেই কথা স্মরণ ক’রে তোমার নামে ‘তাসের দেশ’ নাটিকা উত্সর্গ করলুম। ১৫ জানুয়ারি সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান দিবস।

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top