বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না: ডাকসুর সাবেক চারভিপি।সন্তান পেটে রেখেই সেলাই, দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিসকল সরকারি চাকরি থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের বরখাস্তের দাবিদি স্টুডেন্ড’স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ঢাকা মহানগরী উত্তরের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন।লেভেল ক্রসিংয়ে কভার্ড ভ্যান, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৪বিএনপি নেতা আমান জামিনে মুক্তশ্রীলঙ্কায় মসজিদ ও মুসলমানদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর একের পর এক হামলার পর দেশটিতে ১০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটি।আব্দুল আলিমের সাইবার ক্রাইমআব্দুল আলিমের সাইবার ক্রাইম এখন বইমেলায়রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি
বুধবার, ০২ নভেম্বর, ২০১৬, ০৭:১৯:২৩
Zoom In Zoom Out No icon

যে কারনে ভারত বিশ্বে এক নাম্বার

যে কারনে ভারত বিশ্বে এক নাম্বার

ভারতে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের ঘটনা নতুন নয়। জনগণের এই অভ্যাস পরিবর্তনে খোদ সরকারও নানা পদক্ষেপ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে এবার দেশটির ছত্তিসগড় রাজ্যের ১০৫ বছর বয়সী এক নারীর চেষ্টায় ধামতারি নামের একটি জেলার লোকজনের খোলা মাঠে মলত্যাগের দীর্ঘদিনের অভ্যাস পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয়েছে।

কুনওয়ার বাই যাদব নামের এই বৃদ্ধা তার নিজের একমাত্র সম্পদ কয়েকটি ছাগল বিক্রি করে গ্রামে একটি টয়লেট বানিয়ে দিয়েছিলেন। কোটাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এই কুনওয়ার বাই যাদব। গ্রামটি ছত্তিসগড়ের রাজধানী রাইপুর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। টয়লেট বলে যে একটা জিনিস আছে - তা এই মহিলা জানতে পারেন গত বছর। তার আগে তিনি তার একশ বছরের জীবন কাটিয়েছেন জঙ্গলে-মাঠে মলত্যাগ করে। দুই বছর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ২০১৯ সালের মধ্যে সব বাড়িতে টয়লেট প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ঘোষণা করলে সরকার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে কর্মকর্তাদের পাঠায়, যারা লোকজনকে টয়লেট ব্যবহারের সুফল সম্পর্কে সচেতন করেন।

এক হিসেব অনুযায়ী ভারতে ৫৫ কোটি লোক উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভারতে এর চেয়েও বেশি লোক মোবাইল ফোনের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ওই বৃদ্ধা বলেন, জেলা কালেকটরের মুখে টয়লেটের কথা শুনে আমি প্রথম এ সম্পর্কে জানতে পারি। শুনে মনে হলো, আমাকে যেভাবেই হোক বাড়িতে একটা টয়লেট বানাতেই হবে। আমার কাছে কোন টাকা ছিল না। তাই ছাগল বিক্রি করে আর পুত্রবধূর কাছ থেকে কিছু সাহায্য নিয়ে মোট ২২ হাজার টাকা তুলি। ১৫ দিনের মধ্যে টয়লেট তৈরি হয়ে গেল।

তিনি আরও বলেন, এর পর সারা গ্রামে এটা আলোচনার বিষয়ে পরিণত হলো। আশপাশের গ্রাম থেকে লোকেরা টয়লেট দেখতে এলো। তারা আবার অনেকে নিজেরা বাড়িতে টয়লেট বানাতে শুরু করলো। মাত্র এক বছরের মধ্যে গ্রামের সব বাড়িতে টয়লেট তৈরি হয়ে গেল।

সারা গ্রাম এমনকি গোটা রাজ্যের জন্যই এভাবে কুনওয়ার বাই দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন। এ জন্য তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদকও পেয়েছেন এ বছর। আর এই পদক নেবার জন্যই তিনি জীবনের প্রথম গ্রামের বাইরে অন্য কোথাও গেলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির সাথেও দেখা হয়েছে তার। টয়লেট বিপ্লব ঘটানোর জন্য তিনি এখন ছত্তিসগড়ে বিখ্যাত হয়ে গেছেন।

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top