সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ ১০:৫৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মাহাথিরবজ্রপাতে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেতে হলে করনীয় কি ?পটুয়াখালীর তরুণের চালকবিহীন গাড়ি আবিষ্কার স্পেনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনাতাবলিগ জামাতের সাদ পন্থী ও তার বিরোধী গ্রুপের সংঘর্ষডিইউজে নির্বাচনে গনি - শহিদ পরিষদের অবিস্মরনীয় জয়কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না: ডাকসুর সাবেক চারভিপি।সন্তান পেটে রেখেই সেলাই, দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিসকল সরকারি চাকরি থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের বরখাস্তের দাবিদি স্টুডেন্ড’স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ঢাকা মহানগরী উত্তরের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন।
শনিবার, ০৭ অক্টোবর, ২০১৭, ০১:২৬:২২
Zoom In Zoom Out No icon

চালের দাম আর কমছে না!

চালের দাম আর কমছে না!

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মন্ত্রীদের বৈঠক এবং গুদামে প্রশাসনের অভিযানের পর চড়তে থাকা চালের দাম কিছুটা কমলেও এখনও তা বাড়তিতে বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকার চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের চাপে চালের দাম একধাপ কমিয়ে থেমে গেছেন দেশীয় মিল মালিকরা। তবে আমদানি করা চালের দাম তুলনামূলক কম থাকায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।

শুক্রবার ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এখনও মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায়। আর পাইকারিতে এই চাল বিক্রি হচ্ছে ২৯০০ টাকায়।

ফলে মিনিকেটের খুচরা মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৬০ থেকে ৬১ টাকা, আর পাইকারি মূল্য ৫৮ টাকা। কোরবানির ঈদের পর গুজব ও কারসাজিতে হঠাৎ চলের দাম বাড়ার আগে মিনিকেট বিক্রি হচ্ছিল প্রতিকেজি ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়।

বাজারের সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করে দেখা যায়, মিনিকেটর মতোই বিআর আটাশ ও পাইজাম বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। খুচরায় বিআর আটাশ ৫০ কেজির বস্তা ২৬০০ টাকা, আর পাইজাম ২৫০০ টাকা।

খুচরায় চালের সর্বশেষ এই মূল্য জানিয়ে রাজধানীর রামপুরার বিক্রমপুর রাইস এজেন্সির ব্যবস্থাপক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ২০ সেপ্টেম্বরের দিকে মিল মালিকরা প্রথম ধাপে চালের দাম বস্তায় দেড়শ টাকার মতো কমিয়েছেলেন। পরের সপ্তাহে কমেছে আরও ২৫ টাকা। এরপর চালের দাম আর কমেনি।
“তবে বাজারে ইন্ডিয়ান চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় মানুষ কিছুটা কম দামে মোটা চাল পাচ্ছে। ইন্ডিয়ান মোটা চালের ৫০ কেজির বস্তা এখন ২২৫০ থেকে ২৩০০ টাকা। ইন্ডিয়ান আটাশ চালও ২৩৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।”

কারওয়ান বাজারের সিটি জেনারেল স্টোরের একজন বিক্রয়কর্মী জানান, খুচরায় মিনিকেট কেজি প্রতি ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৬৬ থেকে ৬৮ টাকা, ভারতীয় আটাশ চাল ৪৭ টাকা, দেশি আটাশ চাল ৫৪ টাকা এবং ভারতীয় মোটা চাল (স্বর্ণা) ৫৪ টাকায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।

উত্তর বাড্ডায় পাইকারি দোকান সাতারকুল রাইস এজেন্সির অন্যতম ব্যবস্থাপক বিপ্লব হোসেন বলেন, গত মাসের শেষ দিকে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা করে কমেছে। বিশেষ করে মিনিকেটের দাম কমেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে দাম স্থির আছে।
“সামনে আরও কমবে বলে শুনতে পাচ্ছি।”

পাইকারিতে মিনিকেটের বস্তা ২৯৫০ টাকা, বিআর আটাশের বস্তা ২৫৫০ থেকে ২৬০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান স্বর্ণা চালের ৫০ কেজির বস্তা ২০৫০ থেকে ২১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কোরবানির ঈদের পর কয়েক দিনে চালের দাম বাড়ে অস্বাভাবিকভাবে। সরু চালের দাম খুচরায় কেজিপ্রতি ৭০টাকা পর্যন্ত ওঠে, সমানতালে বাড়তে থাকে মোটা চালের দামও।
এই প্রেক্ষাপটে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে চালকল মালিক, আমদানিকারক, আড়তদার, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

ওই বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কয়েকটি দাবি সরকার মেনে নিলে মিল মালিকরা চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমানোর ঘোষণা দেন। পাশাপাশি ভারত থেকে চাল আমদানির শর্ত শিথিল হওয়ায় আমদানিও শুরু হয়।

এ সময় কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে চালকল ও গুদামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে। দীর্ঘদিন ধরে চাল গুদামে রাখায় অনেক ব্যবসায়ীকে জরিমানার পাশাপাশি হাজার হাজার বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

মজুদ তলানীতে ঠেকে যাওয়ার পর এখন চাল আমদানি বাড়াচ্ছে সরকার; চাল আসছে ভারত থেকেও এরপর সেপ্টেম্বরের শেষদিকে চালের দাম কিছুটা কমান মিলমালিকরা।
রোপা আমন ওঠার আগে আর চালের দাম কমার সম্ভাবনা দেখছেন না নওগাঁ জেলার মৌসুমী অটো রাইস মিলের মালিক গোলাম মোস্তফা।
তিনি বলেন, “দাম কমার আগে আমরা ২৯০০ টাকায় মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি করতাম। এখন বিক্রি করি ২৭০০ টাকায়।”

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top