বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৮:১৫:৫৬
Zoom In Zoom Out No icon

ঢাকায় 'কোচিংবাজ' ৯৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ

ঢাকায় 'কোচিংবাজ' ৯৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ

কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগে রাজধানীর আটটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘শাস্তিমূলক’ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান, পরিচালনা পর্ষদ এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে ওই সুপারিশ জানিয়ে আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদক সচিব মো. শামসুল আরেফিনের স্বাক্ষরে রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবরে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭২ জন শিক্ষক এবং সরকারি চারটি বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত বলে দুদক প্রমাণ পেয়েছে।

এসব শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৬ জন, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৪ জন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭ জন, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ জন, মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২ জন, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ জন, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ জন এবং গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ৮ জন।

এ প্রসঙ্গে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মহম্মদ ইনসান আলী দুদকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রেডিও তেহরানকে বলেন, এরকম কোচিংবাজ শিক্ষকদের কারণে গোটা শিক্ষক সমাজের বদনাম হয়। তাই তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

দুদক বলছে, দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে থেকে এই এসব শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়েছেন এবং ‘অনৈতিকভাবে’ অর্থ উপার্জন করে আসছেন।

তাদের বিরুদ্ধে ‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারকে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে বলেছে দুদক।

উল্লেখ্য,  কোচিং বন্ধ নীতিমালা-২০১২  অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। এমনকি শিক্ষকরা বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারেও পড়াতে পারবেন না। অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত টাকার বিনিময় প্রতিষ্ঠানের ভেতরই পিছিয়েপড়া শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ক্লাস করানো যাবে।

এই নীতিমালা না মানলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জড়িত শিক্ষকের বেতনের সরকারি অংশ (এমপিও) বাতিল বা স্থগিত করা হবে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হবে। অন্যদিকে নীতিমালা লঙ্ঘন করলে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অসদাচরণের দায়ে সরকারের শৃঙ্খলা ও আপিলবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top