শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ ০১:১৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৫, ০২:২৭:২৬
Zoom In Zoom Out No icon

বিজয়ের আগেই তৈরি বিজয় মঞ্চ

 বিজয়ের আগেই তৈরি বিজয় মঞ্চ

খেলাধুলা ডেস্ক: পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাঠে খেলা। সামনে ক্রিকেট মোড়ল ভারত। তাদের অহঙ্কারকে পদচূর্ণ করতে প্রস্তুত অকুতোভয় ১১ টাইগার। আর তাদের সঙ্গে প্রস্তুত ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের ষোলো কোটি মানুষ। বিজয়ের আগেই তৈরি হয়ে গেছে বিজয় মঞ্চ। এখন অপেক্ষা শুধু ভারতকে হারানোর। আর তার জন্য পুরো দেশ এখন প্রার্থনারত। করজোড়ে ঈশ্বরের কাছে কায়মনে প্রার্থনা- সেমিফাইনালে উঠুক প্রিয় দেশ।

বিশ্বকাপ ক্রিকেটর কোয়ার্টার ফাইনালকে সামনে রেখে ক্রিকেটপাগল বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাসের একটি চিত্র দেখা গেলো বুধবার বিকেলে। বাংলাদেশ ক্রিকেট ফ্যানস ইউনিটি নামে একটি ফেসবুক ভিত্তিক সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতার পাদদেশে আয়োজন করে পতাকা শোভাযাত্রার। দেশের গানে আর উদ্দীপনামূলক নানা স্লোগানে তারা মাতিয়ে রাখে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

শোভাযাত্রার নির্ধারিত সময় ছিল বিকেল ৪টা। তার এক ঘন্টা আগে থেকেই সবাই জড়ো হতে শুরু করে সেখানে। কিন্তু বেরসিক বৃষ্টি বাধ সাধে তাদের আয়োজনে। তবে যে আয়োজনে যুক্ত আছে বাংলাদেশের নাম, সে আয়োজনকে রুখে এমন সাধ্যি কার! আর সেজন্যই শোভাযাত্রার আগেই মেঘ সরে হেসে উঠলো সূর্যি মামা। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হাজারো কণ্ঠ এক হয়ে গর্জে উঠলো ‘বাংলাদেশ…বাংলাদেশ’।

শুরুতেই কনসার্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ডদল চিত্রের শিল্পীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হলো আজম খানের গান- ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে জন্মেছিল একটি ছেলে…বাংলাদেশ…বাংলাদেশ’। সবাই মিলে উপভোগ করলেও স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরের একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা আসিফ আর মুনিরা জানালেন প্রতিবাদ। নিজেদের মধ্যেই আলোচনা- বাংলাদেশ এখন আর বস্তির দেশ নয়, পৃথিবীর সেরা ক্রিকেট দলগুলো একটি। যেখানে রয়েছেন মাশরাফির মতো একজন বীর সেনাপতি, রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আর ইতিহাস গড়া মাহমুদল্লাহর মতো ব্যাটসম্যান। আর রুবেলের মতো শেষ মুহূর্তে জ্বলে ওঠা নায়ক তো রয়েছেনই!

এতো গেলো কথার মালা। সাজসজ্বাতেও ছিল মাঠের আবহ। নিজের মুখকে লাল-সবুজ বানিয়ে এসেছেন বিএফ শাহীন কলেজের ছাত্র সীমান্ত। কাছে গিয়ে কথা বলতেই জানালো, তিনি নাকি মুখে লাল-সবুজ রঙ লাগালে বাংলাদেশ জেতে, বৃহস্পতিবারের ম্যাচের আগে তাই আগাম প্রস্তুতি। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ- কেমন লাগছে জানতে চাইলেই বললেন, ‘কেমন লাগছে, এ কথা ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দেন নাই।’ বৃহস্পতিবারের ম্যাচের প্রত্যাশা জানতে চাইলে বলেন, ‘বাংলাদেশ দলকে অনেক অনেক শুভকামনা। আমরা মেলবোর্নে গিয়ে খেলা দেখতে পারবো না, কিন্তু এখন থেকে চিৎকার করে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জানাতে চাই। আশা করছি, ভারতকে হারিয়ে আমরা সেমিফাইনালে উঠবো, তার পর ফাইনাল। আর এরপর মাশরাফির হাতে উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফিটি।’

এতো গেলো একটি স্বতন্ত্র সংগঠনের আয়োজন। কিন্তু বৃহস্পতিবারের কোয়ার্টার ফাইনালকে সামনে রেখে রীতিমতো উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে পুরো বাংলাদেশ জুড়ে। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। সবাই এখন ব্যস্ত বৃহস্পতিবারের ম্যাচ দেখা নিয়ে। সবার অপেক্ষা কখন বাজবে সকাল সাড়ে ৯টা; যখন মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বেজে উঠবে যুদ্ধের দামামা। ধোনি-কোহলিদের হারিয়ে মেলবোর্নের এক লাখ দর্শকের সামনে ভিক্টরি ল্যাপ করবেন মাশরাফি-সাকিবরা।

প্রস্তুত মাঠের এগারো টাইগার। তাদের গর্জনে কাঁপবে ক্রিকেট বিশ্ব; ষোলো কোটির বাঙালির গর্জনে কাঁপবে সমগ্র বিশ্ব!

সূত্র: বাংলামেইল

নেশন নিউজ/আরিফ

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top