বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ ০৮:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৯:০২:০৯
Zoom In Zoom Out No icon

বিএনপির অর্ধশত ‘দুর্বল’ প্রার্থী

বিএনপির অর্ধশত ‘দুর্বল’ প্রার্থী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। এর মধ্যে অন্তত অর্ধশত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকার মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতা নেই। তাদের কয়েকজন নির্বাচনী এলাকায় অপরিচিত। কারও কারও ব্যক্তি ইমেজ ভালো নয়। তবে ঢাকা মহানগর এবং চট্টগ্রাম মহানগরে বিএনপি প্রার্থী যে কোনো সময়ের চেয়ে অপেক্ষাকৃত নবীন ও নির্বাচনী মাঠে আনকোরা।

আগে দুই নগরে হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচন করতেন।এবার বিএনপি দুই নগরে ভালো প্রার্থী দেননি বলে মনে করেন দলের নেতাকর্মীরাও। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উত্তরাঞ্চলের মনোনয়ন নিয়ে। সেখানে অনেক আসনে আনকোরা প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নতুন মুখও এসেছে বেশি।এদিকে, আগামীকাল বুধবার আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করবে বিএনপি জোট। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সিলেট হযরত শাহজালাল (র) ও হজরত শাহপরানের (র) মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এ প্রচার শুরু করবে তারা। বিএনপি জোটসঙ্গী ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতারা এ প্রচার অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।জানা গেছে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থিতায় নানা বদল হয়েছে।


দিনভর বিক্ষোভের মুখে প্রার্থী পরিবর্তন যেমন হয়েছে, তেমনি অনেকের আবদার মেটাতে গিয়ে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।নাটোর-১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েও পাননি সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি আসিফা আশরাফি পাপিয়া। আমাদের সময়কে তিনি বলেন, যোগ্যতার বিচারে কী মনোনয়ন পাব না। মনোনয়ন পেতে হলে কী বিধবা নইলে মরহুম কোনো নেতার মেয়ে হতে হবে। আর কত ত্যাগ স্বীকার করব।এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রভাবশালী সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু আমাদের সময়কে বলেন, দল অনেক যাচাই-বাছাই করে শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকায় সর্বোচ্চ যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে অনেক চিন্তা-ভাবনা করতে হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়তো অনেকের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির মিল হয়নি।

জানা গেছে, দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে এবং ঐক্য ধরে রাখতে আগে যারা বহিষ্কার হয়েছিল, তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ জন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। গতকাল সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামানের বহিষ্কার প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কয়েকটি আসনে জোটকে ছাড় দিয়ে বিএনপির সাবেক এমপিদের বাদ দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর-১ ও ৪ আসনে এলডিপি ও জেএডিকে ছাড় দিতে হয়েছে। দুই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির নাজিম উদ্দিন এবং আশরাফ উদ্দিন নিজাম এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আবার নিজ দলের লবিংয়ে টিকতে না পেরে ছিটকে পড়েছেন সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও লায়ন হারুনের মতো এমপি।বরগুনা-২ আসনে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম মনি একাধিকবারের এমপি। নির্বাচনী মাঠ তার পক্ষে ছিল।

কিন্তু অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের মতো প্রায় ৯০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। যিনি ওই আসনে যতবার নির্বাচন করেছেন, ততবার হেরেছেন। শুধু তাকে দেওয়ায় প্রায় একটি নিশ্চিত আসন হারালো বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত বদল করে অন্তত ১২ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।এ দিকে অন্তত দুইজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন নেতাকর্মীরা। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে এভাবে উপেক্ষিত করা ঠিক হয়নি।তালিকা ঘেঁটে দেখা গেছে, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার পরিবারের কোনো সদস্য এবারের ভোটে নেই। ঢাকা-৬ আসন থেকে খোকা নির্বাচন করতেন। আদালতের দেওয়া সাজা মাথায় নিয়ে অসুস্থ খোকা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তার আসনে এবার পুত্র ইশরাক হোসেন ঢাকা-৬ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি আসনটি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ছেড়ে দেওয়ায় কপাল পুড়েছে ইশরাকের।ঢাকার বিএনপিতে মির্জা আব্বাসের মতোই প্রভাব বিস্তার করেছিলেন আরেক প্রভাবশালী নেতা খোকা।

তার পুত্রকে বঞ্চিত করায় খোকা ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে তার অনুসারীরা জানিয়েছেন। এ অবস্থায় খোকার ক্ষোভ প্রশমন করাতে না পারলে ঢাকার বিভিন্ন আসনে এর প্রভাব পড়বে। অথচ, ঢাকা-৫ আসনে নবী উল্লাহ নবীর মতো দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নবী উল্লাহ এর আগে ওয়ার্ড কমিশনার ছিলেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য, জাতীয় নির্বাচনে যে ধরনের গ্রহণযোগ্যতা থাকা উচিত তা নবী উল্লাহর নেই।অবশ্য, বিএনপির কোনো কোনো নেতার দাবি, বিএনপির সিদ্ধান্ত ছিল নির্বাচনে গেলেও তার আগে অন্তত আন্দোলন হবে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নেতাদের বক্তব্যেও তা ফুটে উঠে। কিন্তু আন্দোলনে না গিয়ে হঠাৎ করেই নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থায় কাকে কোথায় প্রার্থী করা যেতে পারে তা নিয়ে কোনো হোম ওয়ার্ক ছিল না।জানা গেছে, নির্বাচন করতে চাইলেও প্রার্থী হতে পারেননি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেলদের মতো নেতারা।


প্রকাশ্যে নির্বাচন করার ইচ্ছে প্রকাশ না করলেও বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার একজন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির। কিন্তু তাকে দল জোর করলে ঢাকার যে কোনো আসন থেকে তিনিও নির্বাচন করতেন।পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ঢাকা-১৬-তে প্রার্থী করা হয়েছে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আহসান উল্লাহ হাসানকে। তিনি বর্তমান ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তরের সাধারণ সম্পাদক। অথচ এ আসনে এর আগে নির্বাচন করেছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। সাজা হওয়ায় এ আসনে তার পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু  এখানে তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অধ্যাপক সাহেদা রফিককে মনোনয়ন দেওয়া যেত। কারণ, আহসান উল্লাহ হাসানের সঙ্গে ওই এলাকার নেতাকর্মীদের বড় ধরনের দূরত্ব রয়েছে মহানগর উত্তরের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে।এ ছাড়াও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মহানগরের নেতা এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন। তার অবস্থান হাসানের বিরুদ্ধে। অথচ, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক মনোনয়ন চেয়েও পাননি। তিনি ঢাকা-১৬ ও ১৪ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন।



ঢাকা-১৩ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে আবদুস সালামকে। তিনি অভিন্ন ঢাকা সিটি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ডেপুটি মেয়রও ছিলেন। কিন্তু এ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী। সালাম যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও তাকে ঢালীকে আস্থায় আনতে হবে।  ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী করা হয় ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাইয়ুমের স্ত্রী শামীম আরা বেগমকে। মামলাজনিত কারণে মালেশিয়ায় অবস্থান করা কাইয়ুম প্রার্থী হলে প্রশ্ন উঠতো না। কিন্তু তার স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে কেউ কেউ অসন্তুষ্ট। ঢাকা-১৮ আসনে মেজর (অব.) কামরুল ইসলামকে মনোনয়ন দিতে চাইলেও তিনি নির্বাচনে অনীহা প্রকাশ করেন। সেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। স্বপন একেবারেই অপরিচিত।অনেকেই বলছেন, এটা জেএসডিকে ছেড়ে সরকারি দলের প্রার্থীকে ‘ওয়াকওভার’ দেওয়া হলো। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর। ওই এলাকায় তারও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনুসারী রয়েছে। ঢাকা-১৭-তে প্রার্থী করা হয়েছে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খানকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সবচেয়ে বড় ‘আপসেট’। চট্টগ্রামের নির্বাচনী রাজনীতিতে এটা টক অব দ্য কান্ট্রি। তার মতো প্রবীণ যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন না দিয়ে চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানকে প্রার্থী করা হয়েছে। সুফিয়ান চট্টগ্রামে স্থানীয় নয়। স্থায়ী কমিটির এক সদস্যের ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে সুফিয়ানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রামের কয়েকটি আসনে দুর্বল প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-২ আসনে গোলাম আকবর খন্দকারকে মাঠে নামিয়েও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এর জন্য নেতাকর্মীরা স্থায়ী কমিটির ওই সদস্যকে দায়ী করছেন।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১২ এনামুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অথচ যেখানে গাজী শাহজাহান জুয়েলের অবস্থা এলাকায় ভালো। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের করা জরিপের এগিয়ে ছিলেন তিনি।জানা গেছে, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকু-) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরী। কিন্তু ঋণখেলাপি হওয়ায় তিনি মনোনয়ন পাননি। তবে সেখানে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক এওয়াইবিআই সিদ্দিকীসহ একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও দল থেকে আসলাম চৌধুরীর বড় ভাই ইসহাক কাদের চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।চাঁদপুর-১ আসনে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মতো যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। মনোনয়ন বোর্ড তাকে প্রার্থী করেছিলেন। ওই আসনের প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এলাকার সঙ্গে তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে।পটুয়াখালী-২ আসনে শহীদুল আলম তালুকদারকে প্রার্থী করলে প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু তার স্থলে প্রার্থী করা হয়েছে তার স্ত্রী সালমা আলমকে। কিন্তু এ আসনে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মুনীর হোসেন মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তাকে আস্থায় আনা সম্ভব না হলে বিজয় কঠিন হবে। পটুয়াখালী-৩ আসনে হঠাৎ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া গোলাম মাওলা রনিকে প্রার্থী করা হয়েছে। অথচ এ আসনে শক্তপ্রার্থী ছিলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা হাসান মামুন।

রনিকে বিজয়ী হতে গেলে মামুনকে প্রয়োজন হবে।ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিনা খানকে বিএনপির প্রার্থী করা হয়েছে। এ আসনে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টু। জেবাকে বিজয়ী করতে হলে ইলেনকে মাঠে নামাতে হবে। রাজবাড়ী-২ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে নাসিরুল হক সাবুকে। সেখানে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন হারুনুর রশিদ। এ আসন পেতে গেলে হারুনকে প্রয়োজন হবে।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ। কিন্তু ওই আসনে ২০-দলীয় জোটের শরিক জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুলও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। বুলবুলকে বাগে আনতে না পারলে এ আসনে বিজয়ী হওয়া কঠিন হবে।নওগাঁ-১ আসনে বিএনপির ডা. ছালেক চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। এ আসনে মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রথমে প্রার্থী করা হয়েছিল। এ নিয়ে সেখানে নেতাকর্মীরা বিভক্ত। নীলফামারী-৪ আসনে শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। কিন্তু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে আমজাদ হোসেন সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে- এ নিয়ে দলের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজশাহী-৪ আসনে আবু হেনাকে প্রার্থী করা হয়েছে। সেখানে আবদুল গফুর ছিলেন মনোনয়নপ্রত্যাশী। সংস্কারপন্থি আবু হেনাকে বিজয়ী হতে গেলে গফুরকে আস্থায় আনতে হবে।সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে এম এ মুহিতকে। অথচ এ আসনের শক্তপ্রার্থী ছিলেন ইয়াহিয়া খান মজলিস। মজলিসকে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সবুজ সংকেত দিয়ে এলাকায় কাজ করতে বলেছিলেন। মনোনয়ন বোর্ড তাকেই মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পরে সিরাজগঞ্জ বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার আবদার রাখতে গিয়ে মুহিতকে প্রার্থী করা হয়েছে। সিলেট-১ আসনে আবদুল মুকতাদিরকে মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইনাম আহমেদ চৌধুরীর অনুসারীরা।

এ রকম আর ও খবর



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  .  জাতীয়  .  স্বাস্থ্য  .  দেশ  .  লাইফস্টাইল  .  ফিচার  .  বিচিত্র  .  আন্তর্জাতিক  .  রাজনীতি  .  শিক্ষাঙ্গন  .  খেলাধুলা  .  আইন-অপরাধ  .  বিনোদন  .  অর্থনীতি  .  প্রবাস  .  ধর্ম-দর্শন  .  কৃষি  .  রাজধানী  .  শিরোনাম  .  চাকরি
Publisher :
Copyright@2014.Developed by
Back to Top